জনস হপকিনন্স ইউনিভার্সিটির পরিসংখ্যানে এ কথা জানানো হয়।

সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন জানায়, দৈনিক গড়ে ১ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

মহামারির প্রাথমিক পর্যায়ে কার্যক্রম নিয়ে ব্যাপক সমালোচিত হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ভ্যাকসিন প্রদানে বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে। দেশটিতে জনসংখ্যার ৫৫.৭ শতাংশের পুরোপুরি টিকাদান সম্পন্ন হয়েছে।

তা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে, যা ব্রাজিল এবং উচ্চ সংক্রমণের ডেল্টা ভ্যারিয়ান্টের মুখোমুখি হওয়া ভারতের চেয়েও অনেক বেশি।

বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের ঢেউ গত আগস্টের শেষদিকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ছিল, এ সময় যুক্তরাষ্ট্রে ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

ডিসেম্বরে মার্কিন কর্তৃপক্ষ টিকাদান কার্যক্রম শুরু করেছিল, যা এপ্রিলে শীর্ষ পর্যায়ে পৌঁছায়, কখনও কখনও দৈনিক ৪ মিলিয়নের বেশি টিকা প্রদান করা হয়েছে, বর্তমানে টিকাদান কার্যক্রম যথেষ্ট ধীরগতির ।

চীনে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে এ পর্যন্ত বিশ্বে প্রায় ৪৮ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে।