editor

জুলাই ১৪, ২০১৯

বাংলাদেশের সাবেক প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ আর নেই

বাংলাদেশের সাবেক প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ আর নেই

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান (জাপা) সাবেক প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন)। আজ রোববার সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৮৯ বছর। তিনি স্ত্রী, ২ পুত্র, ও রাজনৈতিক সহকর্মীসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। এরশাদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাপার যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক আবদুর রাজ্জাক খান।

 

জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ১৯৩০ সালের ১লা ফেব্রুয়ারি কুড়িগ্রামে নানা বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈত্রিক নিবাস পশ্চিমবঙ্গের কুচবিহার জেলার দিনহাটা গ্রামে। তার পিতা মকবুল হোসেন ও মাতা মজিদা খাতুন।

 

পিতা ছিলেন উকিল। এরশাদ প্রথমে কুচবিহার ও পরে নিজ শহর রংপুরে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করেন। এরপরে ১৯৫০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৫২ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে অফিসার পদে যোগদান করেন। ১৯৬০-৬২ সালে তিনি চট্টগ্রামে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টাল সেন্টারে অ্যাডজুট্যান্ট ছিলেন। এরশাদ ১৯৬৬ সালে পশ্চিম পাকিস্তানের কোয়েটায় অবস্থিত স্টাফ কলেজে স্টাফ কোর্স সম্পন্ন করেন। ১৯৬৮ সালে শিয়ালকোটে ৫৪তম ব্রিগেডের ব্রিগেড মেজর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৯ সালে লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে পদোন্নতি লাভের পর ১৯৬৯-৭০ সালে তৃতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে এবং ১৯৭১-৭২ সালে সপ্তম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন।

 

পাকিস্তান থেকে প্রত্যাবর্তনের পর ১৯৭৩ সালে এরশাদকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল হিসেবে নিয়োগ করা হয়। ১৯৭৩ সালের ১২ই ডিসেম্বর কর্নেল পদে এবং ১৯৭৫ সালের জুন মাসে ব্রিগেডিয়ার পদে পদোন্নতি লাভ করেন এরশাদ। একই বছর তিনি ভারতের ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে প্রতিরক্ষা কোর্সে অংশগ্রহণ করেন। ওই বছরই আগস্ট মাসে মেজর জেনারেল পদে পদোন্নতি দিয়ে তাকে সেনাবাহিনীর উপপ্রধান নিয়োগ করা হয়। ১৯৭৮ সালের ডিসেম্বর মাসে এরশাদকে সেনাবাহিনী প্রধান পদে নিয়োগ দেয়া হয় এবং ১৯৭৯ সালে তিনি লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদে পদোন্নতি লাভ করেন।

 

১৯৮১ সালের ৩০শে মে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ডের অব্যবহিত পর থেকেই সংবাদপত্রে বিবৃতি ও কভারেজের মাধ্যমে রাজনীতিতে এরশাদের আগ্রহ প্রকাশ পেতে থাকে। ১৯৮২ সালের ২৪শে মার্চ প্রেসিডেন্ট আবদুস সাত্তারের নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে জেনারেল এরশাদ রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করেন। তিনি দেশের সংবিধানকে রহিত করেন। এছাড়া জাতীয় সংসদ বাতিল ও সাত্তারের মন্ত্রিসভাকে বরখাস্ত করেন। এরশাদ নিজেকে দেশের সশস্ত্রবাহিনীর সর্বাধিনায়ক ঘোষণা করেন। যে সাংবিধানিক পদটি একজন নির্বাচিত রাষ্ট্রপ্রধানেরই প্রাপ্য ছিল। তিনি ঘোষণা করেন যে ভবিষ্যতে সামরিক আইনের অধীনে জারিকৃত বিধিবিধান ও আদেশই হবে দেশের সর্বোচ্চ আইন এবং এর সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ সকল আইন অকার্যকর হবে।

 

১৯৮৬ সালে এরশাদ জাতীয় পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন। ঐ বছরই এই দলের মনোনয়ন নিয়ে পাঁচ বছরের জন্য দেশের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।  ১৯৮৮ সালে পুনরায় নির্বাচন দিলে সব দল নির্বাচন বয়কট করে। আন্দোলনের মুখে এরশাদ ৬ই ডিসেম্বর ১৯৯০ সালে ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন।

 

ক্ষমতা হারানোর পর এরশাদ গ্রেপ্তার হন। ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনে তিনি কারাগার থেকে অংশগ্রহণ করেন এবং রংপুরের পাঁচটি আসন থেকেই নির্বাচিত হন। ওইসময় তার বিরুদ্ধে কয়েকটি দুর্নীতি মামলা দায়ের করা হয়। যার বেশ কয়েকটিতে দোষী প্রমাণিত হয়ে সাজাপ্রাপ্ত হন। ১৯৯৬ সালের সাধারণ নির্বাচনেও তিনি পাঁচটি আসন থেকে নির্বাচিত হন। ছয় বছর কারাগারে থাকার পর ১৯৯৭ সালের ৯ই জানুয়ারি তিনি জামিনে মুক্তি পান। তার প্রতিষ্ঠিত জাতীয় পার্টি ২০০০ সালে তিনভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। যার মধ্যে জাতীয় পার্টির (জাপা) মূল ধারারটির তিনি চেয়ারম্যান।

 

২০০১ সালের নির্বাচনে এরশাদের জাতীয় পার্টি এককভাবে নির্বাচন করে। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট করে সংসদে যান এরশাদ। ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে সংসদে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং তার স্ত্রী রওশন এরশাদ প্রধান বিরোধী দলীয় নেতা হন। এরশাদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ দূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৮ সালের একাদশ সংসদ নির্বাচনে এরশাদ ও তার পার্টি আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট বেঁধে নির্বাচন করলেও পরবর্তীতে বিরোধী দল হিসেবে সংসদে যান। এরশাদ হন প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা।

 

এরশাদের বড় একটি সফলতা ছিল দক্ষিণ এশীয় সহযোগীতা সংস্থা (সার্ক) গঠনে প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের উদ্যোগকে সামনে এগিয়ে নেয়া। এরশাদের অন্যান্য সফলতার মধ্যে রয়েছে উপজেলা পরিষদ ব্যবস্থা কার্যকর করা, শিল্প, ভূমি সংস্কার, শিল্পে ব্যক্তিখাতে বিনিয়োগ উদার, গ্রাম সরকার প্রতিষ্ঠা করা ইত্যাদি।

 

এছাড়া প্রেসিডেন্ট এরশাদ রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন শিল্পের বিরাষ্ট্রীয়করণ এবং দেশে ব্যক্তিখাতের বিকাশে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেন। এর অন্তর্ভুক্ত ছিল সরকারি মালিকানাধীন উত্তরা, পুবালী ও রূপালী ব্যাংকের বিরাষ্ট্রীকরণ। এসময়ে দেশে প্রথমবারের মত কয়েকটি বেসরকারি বাণ্যিজ্যিক ব্যাংক ও বীমা কোম্পানিকে কার্যক্রম শুরুর অনুমতি প্রদান করেন। দেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থা পুনর্গঠন ও সংস্কারেও এরশাদ সরকার বেশ কিছু উদ্যোগ নেয়। দেশের মহকুমাগুলোকে জেলায় উন্নীত করার মাধ্যমে দেশে জেলার সংখ্যা ৬৪টি করা হয় এরশাদ সরকারের আমলে। আর এগুলোর অধীনে ৪৬০টি উপজেলা বিন্যস্ত করা হয়। কেন্দ্রিয় ক্ষমতা বিকেন্দ্রিকরণের উদ্দেশ্যে এরশাদ ১৯৮২ সালের ২৮শে এপ্রিল একটি প্রশাসনিক পুনর্গঠন ও সংস্কার কমিশন গঠন করেন, যার সুপারিশ অনুযায়ী জনপ্রশাসনকে নতুন করে সাজানো হয়।

 

এরশাদ আমলের একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য ছিল পুলিশসহ বিভিন্ন সিভিল পদে মাত্রাতিরিক্ত সংখ্যক সেনা কর্মকর্তাদের প্রেষণে নিয়োগ। প্রশাসনের আকার কমাতে তিনি অনেকগুলো অপ্রয়োজনীয় দপ্তর বিলোপ করেন এবং অনেক দপ্তর একীভূত করেন।  তিনি ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বেঞ্চ বসিয়ে উচ্চতর আদালত বিকেন্দ্রিকরণেরও চেষ্টা করেন। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপীল বিভাগের রায়ের পরে তা খারিজ হয়ে যায়। এরশাদ সরকারের আরেকটি সফলতার মধ্যে ছিল প্রয়োজনীয় ভূমি সংস্কারের প্রয়াস। এ লক্ষ্যে ১৯৮২ সালে একটি কমিটি গঠন করা হয়। তবে তার অন্য অনেক উদ্যোগের মতোই ভূমি সংস্কারের উদ্যোগও ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয় আমলাতন্ত্রের অদক্ষতা ও দুর্নীতির কারণে। তার একটি সৃজনশীল প্রয়াস ছিল পথশিশুদের জন্য ‘পথকলি ট্রাস্ট’ গঠন।

 

সেনাপ্রধান থেকে রাষ্ট্রপ্রধান

হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। এক সময়ের সেনাপ্রধান। সেখান থেকে নাম লেখান রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে। ১৯৭১ থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত তিনি অনেকটা নীরবেই ছিলেন। এসময় তিনি সেনাবাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। জিয়াউর রহমান প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর এরশাদকে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের চেয়ারম্যান করা হয়।

 

 

এর কিছুদিন পরেই জিয়াউর রহমান এরশাদকে সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগ করেন। জিয়াউর রহমানের মুত্যুর পর এরশাদ বিচারপতি সাত্তারকে অনেকটা বাধ্য করেন ক্ষমতা ছাড়তে। ৮২ সালে এরশাদের কাছে ক্ষমতা দিয়ে বিদায় নেন বিচারপতি সাত্তার।

 

সামরিক আইন জারি করে প্রেসিডেন্ট ও সামরিক আইন প্রশাসক হন তিনি।

 

১৯৮৪ সালে ১৮ দফা ঘোষণা করে বাস্তবায়ন পরিষদ তৈরি করেন এরশাদ। ওই বছরই সিনিয়র রাজনীতিকদের নিয়ে গঠন করেন জনদল। কিছুদিন পর জনদল পরিবর্তন করে তৈরি করেন বর্তমানের জাতীয় পার্টি। ১৯৮৬ সালের একপাক্ষিক পাতানো নির্বাচনে জাতীয় পার্টি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। বিরোধী দল হয় আওয়ামী লীগ। ৮৮ সালে ওই সংসদ ভেঙে দিয়ে আবারও নির্বাচন দেন এরশাদ। ওই নির্বাচনে অন্য কোনো দল অংশ নেয়নি। এক পর্যায়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন শুরু করে এরশাদের বিরুদ্ধে। ৯ বছরের শাসনের অবসান ঘটিয়ে ১৯৯০ সালের ৬ই ডিসেম্বর ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন এরশাদ। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করে বিএনপি ক্ষমতা গেলে গ্রেপ্তার করা হয় এরশাদকে। দীর্ঘ কারাভোগের পরে তিনি কারামুক্ত হন।


সর্বশেষ সংবাদ

ইন্টারনেট বিভ্রাটের নেপথ্যে ‘সফটওয়্যার বাগ’, তদন্ত চলছে…

ইন্টারনেট বিভ্রাটের নেপথ্যে ‘সফটওয়্যার বাগ’, তদন্ত চলছে…

নিউজ ডেস্কঃ ফাস্টলি বলছে, সফটওয়্যার বাগের কারণে অফলাইনে চলে গিয়েছিল প্রথম সারির অনেক ওয়েবসাইট। মঙ্গলবারের ওই ইন্টারনেট বিভ্রাটের শিকার হয়েছিল

বিশ্বসেরার তালিকায় দেশের ৪ বিশ্ববিদ্যালয়

বিশ্বসেরার তালিকায় দেশের ৪ বিশ্ববিদ্যালয়

নিউজ ডেস্কঃ বিশ্বসেরার তালিকায় দেশের চার বিশ্ববিদ্যালবিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে জায়গা পেয়েছে দেশের চারটি বিশ্ববিদ্যালয়। শিক্ষাবিষয়ক যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান কোয়াককোয়ারেল সাইমন্ডস (কিউএস) মঙ্গলবার

সিলেট-৩ আসনে উপনির্বাচনের তারিখ পেছাল

সিলেট-৩ আসনে উপনির্বাচনের তারিখ পেছাল

নিউজ ডেস্কঃ করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সিলেট-৩ সহ তিনটি সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনের তারিখ পিছিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ

আজ শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস

আজ শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস

নিউজ ডেস্কঃ আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আজ। দীর্ঘ ১১ মাস কারাভোগের পর ২০০৮ সালের ১১ জুন

কোপা আমেরিকার জন্য শক্তিশালী স্কোয়াড ঘোষণা করল আর্জেন্টিনা

কোপা আমেরিকার জন্য শক্তিশালী স্কোয়াড ঘোষণা করল আর্জেন্টিনা

স্পোর্টস ডেস্কঃ ১৩ জুন থেকে ব্রাজিলে শুরু হচ্ছে কোপা আমেরিকার এবারের আসর। টুর্নামেন্টটির জন্য ২৮ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে আর্জেন্টিনা।

ইরানকে অত্যাধুনিক স্যাটেলাইট দিচ্ছে রাশিয়া

ইরানকে অত্যাধুনিক স্যাটেলাইট দিচ্ছে রাশিয়া

নিউজ ডেস্কঃ ইরানকে অত্যাধুনিক স্যাটেলাইট দিতে যাচ্ছে রাশিয়া। একটি মার্কিন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য

১০ লাখ ডোজ অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

১০ লাখ ডোজ অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিউজ ডেস্কঃ কোভ্যাক্সের আওতায় বাংলাদেশকে ১০ লাখ ৮০০ ডোজ অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনার টিকা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। আজ শুক্রবার দুপুরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে

নতুন সেনাপ্রধান লে. জে. এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ

নতুন সেনাপ্রধান লে. জে. এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ

নিউজ  ডেস্কঃ লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদকে সেনাবাহিনী প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ জুন) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব