রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০, ০৯:৪১ অপরাহ্ন

আজ পবিত্র হজ

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজ পবিত্র হজ। ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইক লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা ওয়ান্নি’মাতা লাকা ওয়াল মুলক, লা শারিকা লাক।’

(আমি হাজির, হে আল্লাহ আমি হাজির, তোমার কোনো শরিক নেই, সব প্রশংসা ও নিয়ামত শুধু তোমারই, সব সাম্রাজ্যও তোমার) এ ধ্বনিতে মুখরিত হবে আরাফাতের ময়দান। সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত কয়েক হাজার ধর্মপ্রাণ মুসলমান হাজী আরাফাতের ময়দানে থাকবেন।

এবার বিশ্বের লাখ লাখ মুসলমানের হজ পালনের চিরায়ত দৃশ্য দেখা যাবে না। মহামারী করোনার কারণে সীমিত করা হয়েছে এবারের হজের অংশগ্রহণ। কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার ফজরের নামাজ শেষে কাবা শরিফ তাওয়াফ করে প্রায় ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে মিনার উদ্দেশে রওনা হন আল্লাহর মেহমানরা। পবিত্র মক্কা হতে মিনা পর্যন্ত যেখানে প্রতি বছর ২৫ লক্ষাধিক মুসলিমের পদচারণা থাকত, এবার যাচ্ছেন মাত্র ৮ থেকে ১০ হাজার মুসল্লি। তবুও আকাশ-বাতাস মন্দ্রিত করে ধ্বনিত হচ্ছে- ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক…।’

পবিত্র মিনার খিমায় (তাঁবু) তাদের সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাটাতে হবে। বুধবার তারা মিনায় সারা দিনে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেছেন। আজ ফজরের নামাজ শেষে তারা মিনা থেকে যাবেন আরাফাতের ময়দানে। সূর্যাস্তের আগ পর্যন্ত আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করে আল্লাহর জিকিরে মশগুল থাকবেন তারা। সেখানে অবস্থিত মসজিদে নামিরাহ থেকে হজের খুতবা পাঠ করা হবে। এবার খুতবা দেবেন নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত খতিব শায়খ আবদুল্লাহ বিন সোলায়মান আল মানিয়া।

বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে আরাফাতের ময়দানে হাজীদের অবস্থানের দৃশ্য টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। খুতবা বাংলাসহ ১০টি ভাষায় অনূদিত হবে। খুতবার পর জোহর ও আসরের নামাজ আদায় করবেন মুসল্লিরা। তারা সূর্যাস্ত পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করে মুজদালিফায় গিয়ে মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় করবেন। রাতে সেখানে অবস্থান করবেন খোলা মাঠে।

শয়তানের প্রতিকৃতিতে পাথর নিক্ষেপের জন্য প্রয়োজনীয়সংখ্যক ৭০টি পাথর সংগ্রহ করবেন সেখান থেকে। মুজদালিফায় ফজরের নামাজ আদায় করে হাজীরা মিনায় যাবেন এবং নিজ নিজ তাঁবুতে ফিরবেন। মিনায় বড় শয়তানকে সাতটি পাথর মারার পর পশু কোরবানি দিয়ে মাথার চুল ছেঁটে (ন্যাড়া করে) গোসল করবেন। সেলাইবিহীন দুই টুকরা কাপড় পরবেন।

এরপর মিনা থেকে মক্কায় গিয়ে পবিত্র কাবা শরিফ সাতবার তাওয়াফ করবেন। কাবার সামনের দুই পাহাড় সাফা ও মারওয়ায় ‘সাঈ’ (সাতবার দৌড়াবেন) করবেন। সেখান থেকে তারা আবার মিনায় যাবেন। মিনায় যত দিন থাকবেন, তত দিন তিনটি (বড়, মধ্যম, ছোট) শয়তানকে ২১টি পাথর মারবেন। আবার মক্কায় বিদায়ী তাওয়াফ করার পর নিজ নিজ দেশে ফিরবেন

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ADVERTISEMENT




© All rights reserved © 2020 globalview24.Com
Design BY positiveitusa.com
ThemesBazar-Jowfhowo