বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২১, ০৫:২১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
গাড়ির নাম্বার প্লেটের কোন বর্ণের কী অর্থ?

গাড়ির নাম্বার প্লেটের কোন বর্ণের কী অর্থ?

যে কোন গাড়ির পেছনে বা সামনে থাকে নানা রকমের নাম্বার প্লেট। যেখানে থাকে জেলার নাম, নাম্বারসহ আরো একটি বর্ণ। এই বর্ণে কি তথ্য রয়েছে তা কী জানেন?

 

বিআরটিএ এর অনুমোদিত সকল যানবাহনে নাম্বার প্লেট ব্যবহারের নিয়ম চালু হয় ১৯৭৩ সালে। যানবাহনগুলোর নাম্বার প্লেটের ফরম্যাট হচ্ছে- ‘শহরের নাম, গাড়ির ক্যাটাগরি ক্রম এবং গাড়ির নাম্বার’।

 

যেমন- ঢাকা মেট্রো য-১১২৫৯৯। এখানে ‘ঢাকা মেট্রো’ দ্বারা বোঝানো হয়েছে গাড়িটি ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার আওতাধীন। ‘য’ হচ্ছে শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গাড়ির চিহ্নকারী বর্ণ।

 

অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আওতাধীন সব গাড়ি ‘য’ বর্ণ দ্বারা চিহ্নিত করা হবে। পরবর্তী ‘১১’ হচ্ছে গাড়িটির রেজিস্ট্রেশন নাম্বার এবং ‘২৫৯৯’ হচ্ছে গাড়ির সিরিয়াল নাম্বার।

 

সাধারণত বাংলা বর্ণমালার ‘অ, ই, উ, এ, ক, খ, গ, ঘ, ঙ, চ, ছ, জ, ঝ, ত, থ, ঢ, ড, ট, ঠ, দ, ধ, ন, প, ফ, ব, ভ, ম, য, র, ল, শ, স, হ অক্ষরগুলো ব্যবহার করা হয়। উপরের প্রতিটি বর্ণ আলাদা আলাদা গাড়ির পরিচয় বহন করে।

 

জেনে নিতে পারেন কোন বর্ণ দ্বারা কী বুঝায়-

 

ক – ৮০০ সিসি প্রাইভেটকার

 

খ – ১০০০-১৩০০ সিসি প্রাইভেটকার

 

গ – ১৫০০-১৮০০ সিসি প্রাইভেটকার

 

ঘ – জীপগাড়ি চ – মাইক্রোবাস

 

ছ – মাইক্রোবাস / লেগুনা (ভাড়ায় চালিত)

 

জ – বাস (মিনি)

 

ঝ – বাস (কোস্টার)

 

ট – ট্রাক (বড়)

 

ঠ – ডাবল কেবিন পিকআপ

 

ড – ট্রাক (মাঝারী)

 

ন – পিকআপ (ছোট)

 

প – ট্যাক্যি ক্যাব ভ – ২০০০+ সিসি প্রাইভেটকার

 

ম – পিকআপ (ডেলিভারি)

 

দ – সি এন জি (প্রাইভেট)

 

থ – সি এন জি (ভাড়ায় চালিত)

 

হ – ৮০-১২৫ সিসি মোটরবাইক

 

ল – ১৩৫-২০০ সিসি মোটরবাইক

 

ই – ট্রাক (ভটভটি)

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ADVERTISEMENT




© All rights reserved © 2020 globalview24.Com
Design BY Positive IT USA
ThemesBazar-Jowfhowo